চন্দনাইশে ১০ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ছাত্রের নাম মোহাম্মদ ছাহিম উদ্দীন। সে চন্দনাইশের হযরত আবদুল কাদের জিলানী (র:) হিফজুল কোরআন একাডেমি হেফজখানার শিক্ষার্থী।
গত ২ এপ্রিল সকালে মাদরাসা প্রাঙ্গণে এই অমানবিক ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বরমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কেশুয়া গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ছেলে ছাহিম উদ্দীন গত দুই বছর ধরে ওই মাদরাসায় অধ্যয়ন করছে। পড়া আদায়ের
তুচ্ছ ঘটনায় একই গ্রামের মোহাম্মদ আবুর ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন নামের এক শিক্ষক তাকে নির্মমভাবে প্রহার করেন। এতে শিশুটির হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
আহত ছাহিমের পিতা মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, ঘটনার পরপরই গতকাল তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে আঘাত গুরুতর হওয়ায় আজ তাকে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করায়।
এ বিষয়ে মাদরাসা পরিচালক হাফেজ মোহাম্মদ ইমন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে ছাত্রের পরিবার এই মীমাংসা মেনে নেয়নি।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চন্দনাইশ থানায় এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে ছাত্রের বাবা মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানিয়েছেন, সন্তানের ওপর এই বর্বর নির্যাতনের বিচার চেয়ে তিনি থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 













