ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশ্বকাপের ধকল কাটিয়ে ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে ফিরলেন মেসি উত্তর কাঞ্চননগর সরকারি প্রাথমিকে পরিচালনা পর্ষদের বরণ ও পুরস্কার বিতরণ হাটহাজারী উপজেলার নারীদের বেসরকারি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ রাষ্ট্রপতি চাইলে সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চবিতে ভারতের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংহতি জানিয়ে মানববন্ধন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শর্তহীন নগদ অর্থ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ চাকসু এজিএস তৌফিকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়া ফুটসাল টুর্নামেন্ট ত্রাণ বিতরণ করলো সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন চন্দনাইশে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ পরিবারকে ফারুক বাহাদুরের আর্থিক সহায়তা

বন্যার্তদের পাশে ইসলামী ফ্রন্ট: দক্ষিণ চট্টগ্রামকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি

টানা ছয় দিনের অবিরাম বর্ষণে দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। বন্যাকবলিত এই অসহায় ও বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার বিভিন্ন উপদ্রুত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মতিন। সংগঠনের পক্ষ থেকে এটি ছিল পঞ্চম ধাপের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চন্দনাইশের বিভিন্ন এলাকায় ও দোহাজারীর সাঙ্গু উপকূলীয় এলাকা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়। মঙ্গলবার দুপুরে মাওলানা এম এ মতিন দুর্গত এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং বানভাসি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি সংগঠনের পক্ষ থেকে কয়েকশত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।

ত্রাণ বিতরণকালে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সভায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মতিন সরকারের প্রতি দক্ষিণ চট্টগ্রামকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করার জোর দাবি জানান।

তিনি বলেন "বিপন্ন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি। অপরিকল্পিত উন্নয়ন, পর্যাপ্ত ও বিজ্ঞানসম্মত ড্রেনেজ ব্যবস্থার তীব্র সংকট, যেখানে-সেখানে বাড়ি নির্মাণ এবং বেড়িবাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির কারণেই আজ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষকে এই ভয়াবহ পরিণতির শিকার হতে হয়েছে।"

তিনি আগামীতে যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে দীর্ঘমেয়াদী ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

ত্রাণ বিতরণকালে ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষনেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরজাদা গোলামুর রহমান আশরাফ শাহ সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. জালাল উদ্দিন আজহারী, প্রকাশনা সচিব ইঞ্জিনিয়ার আবু আজম, সহকারী প্রকাশনা সচিব মাওলানা নুরুল্লাহ রায়হান খান, শ্রম ও কৃষি সচিব এম মহিউল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবসেনা সভাপতি ডা. এস এম সরওয়ার, ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সভাপতি আজাদ হোসাইন, দক্ষিণ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা ফেরদৌসুল আলম আলকাদেরী, দক্ষিণ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী হোসাইন, পটিয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ইয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী, এছাড়াও ওমান, কুয়েত ও মদিনা মনোয়ারা শাখার প্রবাসী নেতৃবৃন্দসহ চন্দনাইশ উপজেলা ও পৌরসভা ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

বিশ্বকাপের ধকল কাটিয়ে ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে ফিরলেন মেসি

বন্যার্তদের পাশে ইসলামী ফ্রন্ট: দক্ষিণ চট্টগ্রামকে দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি

আপডেট সময় ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

টানা ছয় দিনের অবিরাম বর্ষণে দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। বন্যাকবলিত এই অসহায় ও বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার বিভিন্ন উপদ্রুত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মতিন। সংগঠনের পক্ষ থেকে এটি ছিল পঞ্চম ধাপের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চন্দনাইশের বিভিন্ন এলাকায় ও দোহাজারীর সাঙ্গু উপকূলীয় এলাকা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়। মঙ্গলবার দুপুরে মাওলানা এম এ মতিন দুর্গত এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন এবং বানভাসি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি সংগঠনের পক্ষ থেকে কয়েকশত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।

ত্রাণ বিতরণকালে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সভায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মতিন সরকারের প্রতি দক্ষিণ চট্টগ্রামকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করার জোর দাবি জানান।

তিনি বলেন "বিপন্ন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি। অপরিকল্পিত উন্নয়ন, পর্যাপ্ত ও বিজ্ঞানসম্মত ড্রেনেজ ব্যবস্থার তীব্র সংকট, যেখানে-সেখানে বাড়ি নির্মাণ এবং বেড়িবাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির কারণেই আজ দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষকে এই ভয়াবহ পরিণতির শিকার হতে হয়েছে।"

তিনি আগামীতে যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে দীর্ঘমেয়াদী ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

ত্রাণ বিতরণকালে ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষনেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরজাদা গোলামুর রহমান আশরাফ শাহ সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. জালাল উদ্দিন আজহারী, প্রকাশনা সচিব ইঞ্জিনিয়ার আবু আজম, সহকারী প্রকাশনা সচিব মাওলানা নুরুল্লাহ রায়হান খান, শ্রম ও কৃষি সচিব এম মহিউল আলম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবসেনা সভাপতি ডা. এস এম সরওয়ার, ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সভাপতি আজাদ হোসাইন, দক্ষিণ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা ফেরদৌসুল আলম আলকাদেরী, দক্ষিণ জেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী হোসাইন, পটিয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ইয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী, এছাড়াও ওমান, কুয়েত ও মদিনা মনোয়ারা শাখার প্রবাসী নেতৃবৃন্দসহ চন্দনাইশ উপজেলা ও পৌরসভা ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেন।