ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশ্বকাপের ধকল কাটিয়ে ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে ফিরলেন মেসি উত্তর কাঞ্চননগর সরকারি প্রাথমিকে পরিচালনা পর্ষদের বরণ ও পুরস্কার বিতরণ হাটহাজারী উপজেলার নারীদের বেসরকারি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ রাষ্ট্রপতি চাইলে সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চবিতে ভারতের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংহতি জানিয়ে মানববন্ধন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সেমিনার ও সঙ্গীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শর্তহীন নগদ অর্থ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ চাকসু এজিএস তৌফিকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়া ফুটসাল টুর্নামেন্ট ত্রাণ বিতরণ করলো সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন চন্দনাইশে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ পরিবারকে ফারুক বাহাদুরের আর্থিক সহায়তা
গম-চিনি-ডাল-সয়াবিন খালাসে ‘মাস্টারপ্ল্যান’!

সাগরে ভাসছে ৬০০ ‘গুদাম’, ছয় আমদানিকারকের জিম্মায় রোজার বাজার

  • জনকাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

রমজান সামনে রেখে দেশের ছয় বড় আমদানিকারকসহ বড় একটি সিন্ডিকেটের ১০ লাখ টনেরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে প্রায় ৬০০ লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস আটকে আছে ‘ভাসমান গুদাম’ হয়ে। গভীর সমুদ্র থেকে নামানো গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনি ঘাটে নামার বদলে জাহাজেই ভাসছে। এতে একদিকে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে আসন্ন রমজানে পণ্যের ঘাটতি ও দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে রেকর্ড ১৭৬টি মাদার ভেসেল বা বড় আকারের জাহাজ নোঙর করে রয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি জাহাজে রয়েছে গম, ভুট্টা, ছোলা ও সয়াবিনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। বহির্নোঙরে থাকা অন্তত ১১০টি মাদার ভেসেল বন্দরের ভেতরে ঢুকবে না বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে। এসব জাহাজ গভীর সমুদ্র থেকেই লাইটার জাহাজে পণ্য তুলে দেশের বিভিন্ন জেটি ও নদীপথে পাঠানোর কথা। কিন্তু বাস্তবে বড় একটি অংশ লাইটারেই আটকে থাকছে এবং সেগুলো কার্যত ভাসমান গুদামে পরিণত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ছয় বড় আমদানিকারক আকিজ গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় ১০ লাখ টন পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০ লাইটার জাহাজ ভাসিয়ে রেখেছে। এর মধ্যে আকিজ গ্রুপ একাই প্রায় ৮০টি লাইটার জাহাজ আটকে রেখেছে, যেগুলোতে সার, বিটুমিন, সরিষা, ভোজ্যতেল, গম ও চিনি রয়েছে। লাইটার আটকে রাখার ক্ষেত্রে এরপরই অবস্থান নাবিল গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপের। সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের আমদানি ভলিউম তুলনামূলক কম হওয়ায় তাদের জাহাজ সংখ্যাও তুলনামূলক কম।

স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে এখন অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে নদী ও সাগরে ভাসমান গুদাম হয়ে আছে। এতে নতুন করে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটারের ঘাটতি আরও বাড়ছে।

 

আরও বিস্তারিত চট্টগ্রাম প্রতিদিন 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

বিশ্বকাপের ধকল কাটিয়ে ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে ফিরলেন মেসি

গম-চিনি-ডাল-সয়াবিন খালাসে ‘মাস্টারপ্ল্যান’!

সাগরে ভাসছে ৬০০ ‘গুদাম’, ছয় আমদানিকারকের জিম্মায় রোজার বাজার

আপডেট সময় ০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রমজান সামনে রেখে দেশের ছয় বড় আমদানিকারকসহ বড় একটি সিন্ডিকেটের ১০ লাখ টনেরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে প্রায় ৬০০ লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস আটকে আছে ‘ভাসমান গুদাম’ হয়ে। গভীর সমুদ্র থেকে নামানো গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনি ঘাটে নামার বদলে জাহাজেই ভাসছে। এতে একদিকে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে আসন্ন রমজানে পণ্যের ঘাটতি ও দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে রেকর্ড ১৭৬টি মাদার ভেসেল বা বড় আকারের জাহাজ নোঙর করে রয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি জাহাজে রয়েছে গম, ভুট্টা, ছোলা ও সয়াবিনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। বহির্নোঙরে থাকা অন্তত ১১০টি মাদার ভেসেল বন্দরের ভেতরে ঢুকবে না বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে। এসব জাহাজ গভীর সমুদ্র থেকেই লাইটার জাহাজে পণ্য তুলে দেশের বিভিন্ন জেটি ও নদীপথে পাঠানোর কথা। কিন্তু বাস্তবে বড় একটি অংশ লাইটারেই আটকে থাকছে এবং সেগুলো কার্যত ভাসমান গুদামে পরিণত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ছয় বড় আমদানিকারক আকিজ গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় ১০ লাখ টন পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০ লাইটার জাহাজ ভাসিয়ে রেখেছে। এর মধ্যে আকিজ গ্রুপ একাই প্রায় ৮০টি লাইটার জাহাজ আটকে রেখেছে, যেগুলোতে সার, বিটুমিন, সরিষা, ভোজ্যতেল, গম ও চিনি রয়েছে। লাইটার আটকে রাখার ক্ষেত্রে এরপরই অবস্থান নাবিল গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপের। সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের আমদানি ভলিউম তুলনামূলক কম হওয়ায় তাদের জাহাজ সংখ্যাও তুলনামূলক কম।

স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে এখন অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে নদী ও সাগরে ভাসমান গুদাম হয়ে আছে। এতে নতুন করে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটারের ঘাটতি আরও বাড়ছে।

 

আরও বিস্তারিত চট্টগ্রাম প্রতিদিন