ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চন্দনাইশে ‘ফ্রি চক্ষু অপারেশন ও চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ৪৮ বছরের বিএনপি: প্রতিষ্ঠার ইতিহাস থেকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির মিনি ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী মারাত্মক আহত দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে ভূমি বিরোধ নিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে তনু হত্যা: দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ রেকর্ডময় ইনিংসে তামিমকে ছাড়িয়ে ৩৫০ রানে ইনিংস ছাড়লেন হৃদয়
গম-চিনি-ডাল-সয়াবিন খালাসে ‘মাস্টারপ্ল্যান’!

সাগরে ভাসছে ৬০০ ‘গুদাম’, ছয় আমদানিকারকের জিম্মায় রোজার বাজার

  • জনকাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

রমজান সামনে রেখে দেশের ছয় বড় আমদানিকারকসহ বড় একটি সিন্ডিকেটের ১০ লাখ টনেরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে প্রায় ৬০০ লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস আটকে আছে ‘ভাসমান গুদাম’ হয়ে। গভীর সমুদ্র থেকে নামানো গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনি ঘাটে নামার বদলে জাহাজেই ভাসছে। এতে একদিকে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে আসন্ন রমজানে পণ্যের ঘাটতি ও দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে রেকর্ড ১৭৬টি মাদার ভেসেল বা বড় আকারের জাহাজ নোঙর করে রয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি জাহাজে রয়েছে গম, ভুট্টা, ছোলা ও সয়াবিনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। বহির্নোঙরে থাকা অন্তত ১১০টি মাদার ভেসেল বন্দরের ভেতরে ঢুকবে না বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে। এসব জাহাজ গভীর সমুদ্র থেকেই লাইটার জাহাজে পণ্য তুলে দেশের বিভিন্ন জেটি ও নদীপথে পাঠানোর কথা। কিন্তু বাস্তবে বড় একটি অংশ লাইটারেই আটকে থাকছে এবং সেগুলো কার্যত ভাসমান গুদামে পরিণত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ছয় বড় আমদানিকারক আকিজ গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় ১০ লাখ টন পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০ লাইটার জাহাজ ভাসিয়ে রেখেছে। এর মধ্যে আকিজ গ্রুপ একাই প্রায় ৮০টি লাইটার জাহাজ আটকে রেখেছে, যেগুলোতে সার, বিটুমিন, সরিষা, ভোজ্যতেল, গম ও চিনি রয়েছে। লাইটার আটকে রাখার ক্ষেত্রে এরপরই অবস্থান নাবিল গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপের। সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের আমদানি ভলিউম তুলনামূলক কম হওয়ায় তাদের জাহাজ সংখ্যাও তুলনামূলক কম।

স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে এখন অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে নদী ও সাগরে ভাসমান গুদাম হয়ে আছে। এতে নতুন করে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটারের ঘাটতি আরও বাড়ছে।

 

আরও বিস্তারিত চট্টগ্রাম প্রতিদিন 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে ‘ফ্রি চক্ষু অপারেশন ও চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

গম-চিনি-ডাল-সয়াবিন খালাসে ‘মাস্টারপ্ল্যান’!

সাগরে ভাসছে ৬০০ ‘গুদাম’, ছয় আমদানিকারকের জিম্মায় রোজার বাজার

আপডেট সময় ০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রমজান সামনে রেখে দেশের ছয় বড় আমদানিকারকসহ বড় একটি সিন্ডিকেটের ১০ লাখ টনেরও বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে প্রায় ৬০০ লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস আটকে আছে ‘ভাসমান গুদাম’ হয়ে। গভীর সমুদ্র থেকে নামানো গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনি ঘাটে নামার বদলে জাহাজেই ভাসছে। এতে একদিকে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে আসন্ন রমজানে পণ্যের ঘাটতি ও দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে রেকর্ড ১৭৬টি মাদার ভেসেল বা বড় আকারের জাহাজ নোঙর করে রয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি জাহাজে রয়েছে গম, ভুট্টা, ছোলা ও সয়াবিনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। বহির্নোঙরে থাকা অন্তত ১১০টি মাদার ভেসেল বন্দরের ভেতরে ঢুকবে না বলে আগেই জানিয়ে রেখেছে। এসব জাহাজ গভীর সমুদ্র থেকেই লাইটার জাহাজে পণ্য তুলে দেশের বিভিন্ন জেটি ও নদীপথে পাঠানোর কথা। কিন্তু বাস্তবে বড় একটি অংশ লাইটারেই আটকে থাকছে এবং সেগুলো কার্যত ভাসমান গুদামে পরিণত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ছয় বড় আমদানিকারক আকিজ গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় ১০ লাখ টন পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০ লাইটার জাহাজ ভাসিয়ে রেখেছে। এর মধ্যে আকিজ গ্রুপ একাই প্রায় ৮০টি লাইটার জাহাজ আটকে রেখেছে, যেগুলোতে সার, বিটুমিন, সরিষা, ভোজ্যতেল, গম ও চিনি রয়েছে। লাইটার আটকে রাখার ক্ষেত্রে এরপরই অবস্থান নাবিল গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপের। সিটি গ্রুপ ও বসুন্ধরা গ্রুপের আমদানি ভলিউম তুলনামূলক কম হওয়ায় তাদের জাহাজ সংখ্যাও তুলনামূলক কম।

স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে এখন অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে নদী ও সাগরে ভাসমান গুদাম হয়ে আছে। এতে নতুন করে পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটারের ঘাটতি আরও বাড়ছে।

 

আরও বিস্তারিত চট্টগ্রাম প্রতিদিন